1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
জুলাইয়ে বাংলাদেশের পিএমআই ৫৭.৮-এ উন্নীত, অর্থনীতির সব প্রধান খাতে সম্প্রসারণ - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিতের দাবি জানালে সরকার বলছে হঠকারিতা: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার: মাহদী আমিন হারানো বিজ্ঞপ্তি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী কুষ্টিয়া এলজিইডিতে উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ইরানে উন্নতমানের এক লিটার পেট্রোল বিক্রি হবে প্রায় ৯ লাখ রিয়ালে
জুলাইয়ে বাংলাদেশের পিএমআই ৫৭.৮-এ উন্নীত, অর্থনীতির সব প্রধান খাতে সম্প্রসারণ

জুলাইয়ে বাংলাদেশের পিএমআই ৫৭.৮-এ উন্নীত, অর্থনীতির সব প্রধান খাতে সম্প্রসারণ

জুলাই মাসে বাংলাদেশের পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) আগের মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫৭ দশমিক ৮-এ উন্নীত হয়েছে। যা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) আজ যৌথভাবে প্রকাশিত ২০২৬ সালের জুলাই মাসের পিএমআই প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, উৎপাদন খাতের শক্তিশালী পুনরুদ্ধার জুলাই মাসের পিএমআই বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। চারটি প্রধান খাতের মধ্যে তিনটিতেই সম্প্রসারণ রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন খাতের পিএমআই ৬৫ দশমিক ৪, পরিষেবা খাতের ৫৬ দশমিক ০ এবং কৃষি খাতের ৫৫ দশমিক ২ সূচকে উন্নীত হয়েছে।

তবে নির্মাণ খাত সামান্য সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কৃষি খাত টানা ১১তম মাসের মতো সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। তবে সম্প্রসারণের গতি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। এ খাতে নতুন ব্যবসা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্যে থাকলেও কর্মসংস্থান সূচক সামান্য সংকোচনে ফিরেছে। একই সঙ্গে উপকরণ ব্যয় বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং অসমাপ্ত অর্ডারের সূচক সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। উৎপাদন খাত জুলাই মাসে সবচেয়ে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার করেছে। এ খাতের পিএমআই ১৬ দশমিক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫ দশমিক ৪-এ পৌঁছেছে। নতুন অর্ডার, নতুন রপ্তানি অর্ডার, উৎপাদন, উপকরণ ক্রয়, আমদানি, কর্মসংস্থান এবং সরবরাহকারীদের পণ্য সরবরাহ সব সূচকেই সম্প্রসারণ দেখা গেছে।

তবে উপকরণের দাম বৃদ্ধি এবং অসমাপ্ত অর্ডারের সূচক সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। নির্মাণ খাতের পিএমআই জুলাইয়ে ৪৯ দশমিক ৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা সামান্য সংকোচনের ইঙ্গিত দেয়। তবে জুনের তুলনায় এ খাতের সূচক ৯ দশমিক ১ পয়েন্ট উন্নতি করেছে। নতুন ব্যবসা, নির্মাণ কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানে সংকোচনের হার কমেছে। অন্যদিকে উপকরণ ব্যয় ও অসমাপ্ত অর্ডারের সূচকে সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে। পরিষেবা খাত টানা ২২তম মাসের মতো সম্প্রসারণ ধরে রেখেছে। জুলাইয়ে এ খাতের পিএমআই ১ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬ দশমিক ০-এ উন্নীত হয়েছে। নতুন ব্যবসা, কর্মসংস্থান এবং উপকরণ ব্যয় সূচকে দ্রুততর সম্প্রসারণ দেখা গেছে। একই সঙ্গে অসমাপ্ত অর্ডারের সংকোচনের হার কমেছে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্যে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষৎ ব্যবসায় ইনডেক্স-এ সব খাতেই শক্তিশালী সম্প্রসারণের চিত্র পাওয়া গেছে, যা আগামী মাসগুলোতে ব্যবসায়িক পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ আশাবাদের প্রতিফলন। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. এম. মাসরুর রিয়াজ বলেন, জুলাইয়ের পিএমআই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপকভিত্তিক শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর নেতৃত্বে রয়েছে উৎপাদন খাতের তীব্র পুনরুদ্ধার এবং কৃষি ও পরিষেবা খাতের অব্যাহত সম্প্রসারণ। তিনি বলেন, উৎপাদন খাতের এই পুনরুদ্ধারের সঙ্গে গত ১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মাসিক রপ্তানি আয় অর্জনের বিষয়টিও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ড. রিয়াজ বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলেও নির্মাণ খাত এখনো সামান্য সংকোচনের মধ্যে রয়েছে।

সব খাতে উচ্চ আশাবাদ ব্যবসায়িক আস্থার উন্নতি, বৈদেশিক বাণিজ্য খাতের সম্ভাবনা বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার পরিস্থিতির উন্নতি এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের পর আরও সহায়ক ব্যবসায়িক পরিবেশের প্রত্যাশাকে নির্দেশ করছে। পিএমআই একটি অগ্রণী উদ্যোগ, যার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য ধারণা পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকেরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা পান। এ সূচকটি এমসিসিআই ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তায় এবং সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব পারচেজিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস ম্যানেজমেন্টের কারিগরি সহায়তায় প্রণীত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com