1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের সুযোগ নেই: আব্দুস সালাম - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিতের দাবি জানালে সরকার বলছে হঠকারিতা: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার: মাহদী আমিন হারানো বিজ্ঞপ্তি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী কুষ্টিয়া এলজিইডিতে উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ইরানে উন্নতমানের এক লিটার পেট্রোল বিক্রি হবে প্রায় ৯ লাখ রিয়ালে
জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের সুযোগ নেই: আব্দুস সালাম

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের সুযোগ নেই: আব্দুস সালাম

‘ইশরাক হোসেন না থামলে সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হবে’ বিএনপিকে সরকারের দেওয়া এই বার্তার বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই স্থানীয় নির্বাচনের সুযোগ নেই। শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজশাহীর গোদাগাড়ীর প্রেমতলি গৌরাঙ্গবাড়ি পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার ব্যাপারে কথা হয়েছে। এর বাইরে আর কোনো চিন্তা নেই।

ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জাতীয় নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার কথা বলা হয়েছে। এ অবস্থায় জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই স্থানীয় নির্বাচনের সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, ইসরাক ইস্যুতে সরকারের বার্তা নিয়ে বিএনপি অবশ্যই তার বক্তব্য স্পষ্ট করবে।নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ছাড়া বিলবোর্ড ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার যাতে না হয় সেদিকটা যেমন দেখতে হবে, তেমনি প্রচারণা যেন বাধাগ্রস্ত না হয় সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। এর আগে গৌরাঙ্গবাড়িতে অনুষ্ঠিত সভায় আব্দুস সালাম বলেন, ‘ভারত কেন পুশইন করবে সেটা আমাদের প্রশ্ন।

যদি কাউকে ফেরত পাঠাতেই হয় তাহলে তারা সরকারকে বলবে, তা না করে পুশইন করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি হিন্দুদের জমি দখল করেছে। কোনো বিএনপি নেতা তাদের জমি দখল করেননি। কে হিন্দু, কে মুসলিম, কে খ্রিস্টান, কে বৌদ্ধ এসব রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির বিবেচ্য না। বিএনপি সকল ধর্মের ও মতাদর্শের দল। এর আগে বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইশরাক ইস্যু বিএনপিকে একটি বার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। মেয়র পদে শপথ পড়ানোর দাবিতে নগর ভবন অবরুদ্ধ করে রাখা ইশরাক হোসেন স্বেচ্ছায় সরে না গেলে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের দিকে এগোবে সরকার- সভায় বিএনপিকে এই বার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক উপদেষ্টা সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠকে ৯ জন উপদেষ্টা অংশ নিয়েছেন। সভায় নগর ভবন অচল করায় উপদেষ্টারা ইশরাকের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেন। একাধিক উপদেষ্টা সরকারপ্রধানকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন। বৈঠকে অর্থ, পরিকল্পনা, আইন, শিল্প, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, স্থানীয় সরকার, সংস্কৃতি উপদেষ্টাসহ ৯ জন অংশ নেন। একাধিক উপদেষ্টা সমকালকে বলেন, শপথ না নিয়েই মেয়রের ‘দায়িত্ব’ পালন করায় ইশরাকের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আগামী রোববার এ বিষয়ে আরও আলোচনা হতে পারে। কারণ, নাগরিকদের ভোগান্তি বেড়ে যাওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা বিষয়টি দ্রুত সমাধান করতে বলেছেন। বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টাসহ সবাই বিরক্তি প্রকাশ করেন। ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস জয়ী হন। তখন কারচুপির অভিযোগ তুলে ফল বাতিলের দাবি জানিয়ে মামলা করেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। গত ২৭ মার্চ ঢাকার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ইশরাক হোসেনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে।

গত ২২ এপ্রিল আইন মন্ত্রণালয়ে পরামর্শ চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরামর্শ পাওয়ার আগেই ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি। আইন অনুযায়ী গেজেটের ৩০ দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের।মন্ত্রণালয় তখন জানায়, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, মামলা দায়েরের পর আর্জি সংশোধনের সুযোগ নেই। কিন্তু ইশরাক গত বছরের সেপ্টেম্বরে তা করেছেন এবং ফল বাতিল নয়, তাঁকে জয়ী ঘোষণা করার আবেদন করেছেন। ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করে দেওয়া রায়ের সমালোচনা করে এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল দাবি করে, শেখ হাসিনার শাসনামলের অবৈধ নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে এর মাধ্যমে।

শপথ নিতে না পেরে ইশরাক হোসেনের সমর্থকরা ‘ঢাকাবাসী’র ব্যানারে গত ১৪ মে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। তখন থেকেই সব নাগরিক সেবা বন্ধ রয়েছে। উপদেষ্টা, কর্মকর্তারাও নগর ভবনে প্রবেশ করতে পারছেন না। এরপর ইশরাক সমর্থকরা প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ঘেরাও করে রাখেন তিন দিন। ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করে জারি করা গেজেট বাতিল চেয়ে রিট হয়। হাইকোর্টের পর আপিল বিভাগও তা খারিজ করে দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com