শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপেক্ষা করায় শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সমালোচনা করেছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর স্টিভেন চেউং এক্সে লিখেছেন, ‘নোবেল কমিটি প্রমাণ করেছে তারা শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। স্টিভেন চেউং আরো বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তি চুক্তি, যুদ্ধের অবসান এবং প্রাণ বাঁচানোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।
তিনি একজন মানবতাবাদী নেতা এবং ইচ্ছাশক্তির জোরে পাহাড় সরাতে পারে-তার মতো এমন আর কেউ নেই। শুক্রবার নরওয়ের নোবেল কমিটি শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হিসেবে ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নাম ঘোষণা করে। কমিটির চেয়ারম্যান ইয়র্গেন ওয়াতনে ফ্রিডনেস অসলোতে এক ঘোষণায় বলেন, ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার নিরলস প্রচেষ্টা এবং স্বৈরতন্ত্র থেকে ন্যায়সঙ্গত ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে রূপান্তরের সংগ্রামে ভূমিকা রাখায় তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে ট্রাম্প বারবার দাবি করেন, বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে ভূমিকা রাখায় তিনি নোবেল পাওয়ার যোগ্য। যদিও পর্যবেক্ষকরা এ দাবিকে ‘অতিরঞ্জিত’ বলে মনে করেন। শান্তি পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ার আগের দিনও ট্রাম্প তার দাবির পুনরাবৃত্তি করেন। তিনি বলেন, ‘এই সপ্তাহে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের মধ্যস্থতা ছিল তার শেষ করা অষ্টম যুদ্ধ। বৃহস্পতিবার তিনি আরো বলেছেন, ‘ওরা যা-ই করুক তাতে কোনো সমস্যা নেই।
আমি এটুকু জানি: আমি সেটা নোবেলের জন্য করিনি, আমি এটা করেছি অনেকের প্রাণ বাঁচানোর জন্য।’ অসলোতে নোবেল বিশেষজ্ঞরা পুরস্কার ঘোষণার আগেই বলেছিলেন, ট্রাম্পের নোবেল পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালের উইল অনুযায়ী শান্তি পুরস্কারের আদর্শের পরিপন্থী।
Leave a Reply