1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে স্থিতিশীল নীতি ও সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিতের দাবি জানালে সরকার বলছে হঠকারিতা: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার: মাহদী আমিন হারানো বিজ্ঞপ্তি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী কুষ্টিয়া এলজিইডিতে উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ইরানে উন্নতমানের এক লিটার পেট্রোল বিক্রি হবে প্রায় ৯ লাখ রিয়ালে
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে স্থিতিশীল নীতি ও সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে স্থিতিশীল নীতি ও সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ

দেশে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য নীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা। তাদের মতে, চলমান সংস্কার কার্যক্রম এবং উন্নত নীতিগত দিকনির্দেশনা বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। রাজধানীতে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট: স্পেশাল ফোকাস-এ বিজনেস এনভায়রনমেন্ট দ্যাট ডেলিভার্স জবস’ শীর্ষক এক সেমিনারে আজ বক্তারা এসব কথা বলেন। পিআরআইয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. ধ্রুব শর্মা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। তার মতে, এ বছরের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ছিল, তবে কোনো ধরনের সংকট না হওয়ায় বিনিয়োগ পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ড. ধ্রুব শর্মা বলেন, সরকারের আসন্ন পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো ও জাতীয় বাজেট বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও স্পষ্ট নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে। একই সঙ্গে মূলধনের ব্যয়, করব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা-বিশেষ করে বিদ্যুৎ, পানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উৎপাদন বাড়ানো গেলে কর্মসংস্থান ও টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হতে পারে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক টি আই এম নুরুল কবির বলেন, দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা, সম্প্রসারিত ভোক্তা বাজার এবং কৌশলগত অর্থনৈতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ এখনো বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক নীতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বাড়াবে এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণে উৎসাহিত করবে। পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তার বলেন, কর্মসংস্থানভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অর্থনৈতিক সংস্কারের সঙ্গে উন্নয়ন কৌশলকে সমন্বয় করার এখনই সুযোগ। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি জোরদারে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, নীতির ধারাবাহিকতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পিআরআইয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান বলেন, গবেষণাভিত্তিক নীতিনির্ধারণ টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, রপ্তানিমুখী শিল্প বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। সরকার, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায় পরিবেশ গড়ে তুলতে এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান অর্জনে সহায়ক হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com