সাজিদ : বিগত আওয়ামী সরকারের সময় ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের 3 বারের মহাসচিব ছিলেন। আওয়ামী পরিবারের সদস্য হিসেবে সবসময় নিজেকে জাহির করতেন। জামাত এবং বিএনপিকে মারার জন্য সব সময় তার রুমে একটি লাঠি রাখতেন। সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এবং প্রেষণ নিয়ে পিএইচডি করতে গিয়ে পিএইচডি সম্পূর্ণ না করে এসে যথারীতি যোগদান করেন এবং কোন রিপোর্ট দানে তোয়াক্কা করেননি আওয়ামীলীগ করার গায়ের জোরে।
৪ঠা আগস্ট ২০২৪ সালের কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত শান্তি সমাবেশে এসআরডিআই এর নেতৃত্ব দান করেন যার ভিডিও সবার কাছে আছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের লোক বলে সব সময় দাপিয়ে বেড়াতেন এবং আসাদুজ্জামান খান কামালের সাথে তোলা ছবি সবাইকে দেখাতেন কিন্তু ৫ আগস্টের পর সেটি তার ফেসবুক ওয়াল থেকে মুছে দিয়েছেন। আওয়ামী পরিবারের সন্তান বলে তিনবার ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হতে গিয়ে অনেকটাই সেক্রেটারি পদ জোর করে নিয়ে নেন। এতে কোন অফিসারই প্রতিবাদ করার সাহস পাননি।
বর্তমান ডিজি মহোদয়ের ডান দিকে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের নেতা এ কে এম মনজুরুল হক রতন , বামদিকে এনায়েতুল্লাহ বাকৃবি ছাত্রলীগের নির্বাচিত সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সহ গোপালগঞ্জের মাসুদা এবং রুমিয়া বঙ্গবন্ধু কৃষি পরিষদের :
১। তিনি নিজেকে আওয়ামী পরিবারের সদস্য হিসাবে দাবি করেন এবং ঢাকায় পোস্টিং নেন। তার ভাই শেখ কামালের সাথে ছিলেন এই দাপটেই তিনি সব সময় বলে বেড়াতেন।
২। তিনি প্রচন্ড বিএনপি বিদ্বেষী অফিসার। অতিরিক্ত সচিব জাকির স্যার, বিআরসির চেয়ারম্যান, নাটার ডিজি মহোদয় সহ প্রায় ১০০ অফিসারের অফিসারের সামনে এবং আমাদের সামনে বিএনপি বিদ্বেষী বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ বিএনপি বিদ্বেষী বক্তব্যের অডিও ক্লিপ এখন সবার কাছেই আছে। তিনি প্রধান কার্যালয় এবং মাঠ পর্যায়ের যত আওয়ামী লীগ অফিসার আছে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তাদের মাধ্যমে এসআরডিআই এর অশান্তির সৃষ্টি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রচার এবং বিভিন্ন পোস্টারিং এর নেতৃত্ব প্রদান করে আসছেন অদ্যাবধিও সেটি করে যাচ্ছেন। তার রুমে সমস্ত আওয়ামী কর্মকর্তা গিয়ে আড্ডা দেন এবং কুপরিকল্পনা, এসআরডিআই এর অস্থিরতা এবং বিভিন্ন অখ্যাত পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রদান করেন প্রধান কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরা চেক করলেই তাদের এই অপকীর্তি দেখা যাবে।
কোন বিএনপি আদর্শের কর্মকর্তা যেন ঢাকায় ঢুকতে না পারে তার অংশ হিসাবে জনাব মোঃ ফারুক হোসেন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার এবং পোস্টারিং ইত্যাদি করে উল্টা তাকেই আওয়ামী দোসর নাম দেয়ার মূল হোতা এই মামুনুর রহমান।
ছাত্র জীবনে বাকৃবিতে থাকাকালীন বিএনপি সরকার ছিল ফলে তখন তারা ছাত্রদল না করে উল্টা তাবলীগ করতো অর্থাৎ আওয়ামী লীগ করতো।
বিএনপি বিদ্বেষী বক্তব্যের অডিও ক্লিপ নিচে দেওয়া হল। জুন মাননীয় মন্ত্রী ও কৃষি সচিব মহোদয় আমাদের বাৎসরিক ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ কথা রয়েছে। সেই প্রোগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ উপকমিটিগুলোতে আমির জাহিদ মামুনুর রহমান এবং এনায়েতুল্লাহ ও নীলিমা আক্তার কোহিনুর আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে। প্রোগ্রামের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিচে সংযুক্ত করলা মোঃ আমিনুল ইসলাম, পিএসও, ধনবাড়ি টাঙ্গাইল বর্তমানে পোস্টিং সুনামগঞ্জ –
১। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে তিনি ছাত্রদলের কোন পদে ছিলেন না।
২। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের এপিএস মাসুদের সাথে তার সখ্যতা ছিল যার জন্য তিনি অফিস করতেন না এবং আওয়ামী লীগের দাপটি দেখাতেন। কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাকের বাড়ির পাশে তার বাড়ি হওয়ার সুবাদে তিনি কাউকে তোয়াক্কা করতেন না বিগত সময়গুলোতে । এবং বিগত ১২-১৪ বছর আওয়ামী লীগের সাথেই তার সখ্যতা বেশি ছিল।
৩। ৫ আগস্ট এর পর দ্রুত রং বদলে ফেলেন এবং তৎকালীন ডিজি জালাল উদ্দিন কে ধরে দ্রুত ঢাকায় পোস্টিং নেন যদিও সেই পোস্টে আসার জন্য আমার নামে প্রস্তাব মন্ত্রণালয় ছিল। কিন্তু ফারুক হোসেন তার একাডেমিক ১০ বছরের সিনিয়র হওয়া সত্বেও সে ওই প্রস্তাবকে ইগোনোর করে ফ্যাসিস্ট জালাল উদ্দিন কে দিয়ে ওই পদে ঢাকায় পোস্টিং নেন।
৫। পরবর্তীতে ৬ই জানুয়ারি 2025 সালে আমি অন্য একটি কম গুরুত্ব সম্পূর্ণ পদে পদায়িত হলেও তারা আমাকে কোণঠাসা করার জন্য এবং ডিজি মহোদয় এর সাথে আমাকে জড়িয়ে তেজগাঁ থানায় এই আমিনুল ইসলাম একটি মামলা/ জেনারেল ডায়েরী করেন সম্পূর্ণ চাকরি বিধি বহির্ভূতভাবে। তাছাড়া আমি জনাব মোঃ ফারুক হোসেন তাঁর সিনিয়র হওয়া সত্ত্বেও অযাচিতভাবে কিছু আওয়ামী অফিসারের উস্কানিতে হাইকোর্টের একটি উকিল দিয়ে সরকারি চাকরির বিধি বহির্ভূত হবে আমাকে উকিল নোটিশ দেয়া হয়। চাকরিবিধি লংঘন করায় মন্ত্রণালয় আমিনুলের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে থাকে সুনামগঞ্জ বদলি করেন। তারপর থেকেই সে আমার বিরুদ্ধে লেগে যায় এবং আওয়ামী লীগের আমির মোঃ জাহিদ, মামুনুর রহমান সহ কয়েকজনের সাথে হাত মিলিয়ে আমার নামে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা এবং পোস্টারিং করতে থাকেন।
৬। আমাদের সিনিয়র কৃষিবিদদের কাউকে কাউকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তৎকালীন কৃষি উপদেষ্টা কে খেপিয়ে আমাকে আবারও পাবনায় বদলি করান।
৬। তিনি সিনিয়রদেরকে কোন ভাবেই তোয়াক্কা করেন না এবং খুব বাজে ভাষায় গালিগালাজ করেন মোহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ, পি এস ও, ঢাকা বিভাগীয় গবেষণাগারের দায়িত্বে –
১। মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ ছাত্রলীগ করতেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নির্বাচিত সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ছিলেন।
২। তিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান এবং এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগকেই ধারণ করে চলেছেন। তার বড় ভাই কৃষক লীগের জেলা কমিটির সভাপতি।
৩। ১০ তারিখ/ জুন এসআরডিআই এর অ্যানুয়াল ওয়ার্কশপে মাননীয় মন্ত্রী ও সচিব মহোদয়ের অনুষ্ঠানের উপকমিটি গুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ উপকমিটিতে তিনি আহবায়ক হিসেবে তার নাম আছে। পিএসও পদধারী হওয়া সত্ত্বেও জোর করে পরিচালকের রুমে বসেন। এখনো সেই রুম ব্যবহার করছেন।
বর্তমান ডিজি মহোদয় দায়িত্ব গ্রহণের দিন তার বাম পাশে যে ছবিটি রয়েছে তিনি এনায়েত উল্লাহ।
৫। চৌঠা আগস্ট শান্তি সমাবেশের অন্যতম উদ্যোক্তা এবং প্লেকার্ড হাতে নিয়ে শান্তি সমাবেশ সফল করার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।
নীলিমা আক্তার কহিনুর, পিএস ও, উপজেলা নির্দেশিকা সেল ঢাকা।
১। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকাকালীন তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। এবং নির্বাচিত মহিলা সম্পাদিকা ছিলেন।
২। চাকুরীর শুরু থেকে দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। পিএসও পদোন্নতির পরে কয়েকদিনের জন্য ঢাকার বাইরে গেলেও দ্রুততার সাথে আবারো ঢাকায় পোস্টিং নেন।
৩। তিনিও ৪ আগস্ট শান্তি সমাবেশে যোগ দিয়ে নিজে ভিডিও করে তার প্রোফাইলে আপলোড করেছিলেন। তবে ৫ আগস্ট এর বিকেলেই সেটিকে তিনি সরিয়ে ফেলেন। অবশ্য শান্তি সমাবেশের অন্য ভিডিও গুলোতে তাকে দেখা যাচ্ছে যে ভিডিও ইতিমধ্যেই দেয়া হয়েছে।
৪। সব সময় ক্ষমতার আশেপাশে থাকেন। বিধায় একজন নির্যাতিত নিপীড়িত এবং বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের পদধারী হওয়া সত্বেও জনাব মোঃ ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে এইসব আওয়ামী ফ্যাসিস্ট প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এবং কোন কোন সিনিয়র কৃষিবিদদের বিভ্রান্ত করে এবং মিথ্যা পোস্টারিং করে ফারুক হোসেনকেই সরিয়ে দেয়ার অন্যতম উদ্যোক্তা।
মোঃ আমিনুল ইসলাম পিএসও (চলতি দায়িত্ব ) বগুড়া।
১। চাকুরীর শুরুতে জনাব আমিনুল ইসলাম এবং আমার সাথে অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক ছিল এখনো তার সাথে সম্পর্কের কোন ঘাটতি আছে বলে আমি মনে করি না। আমি তাকে ছোট ভাই হিসাবেই দেখি, কিন্তু পরে পরে জানি যে সে আমার বিরুদ্ধে সব সময় লেগেই আছে, ফলে ছাত্র জীবনের তার কর্মকান্ড এবং বিগত সময়ের কর্মকান্ডের কিছু অংশ এখানে তুলে ধরলাম।
১। ছাত্র জীবনে জনাব আমিনুল ইসলাম বেসরকারি বগুড়া কৃষি কলেজের ছাত্র ছিলেন, যে কলেজটি মান্নান ভাই প্রতিষ্ঠিত করেছিল। কলেজটি সরকার বাতিল করলে পরবর্তীতে চতুর্থ বর্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মান্নান ভাইয়ের হস্তক্ষেপে তাদেরকে ক্লাস করার পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। ওই সময় জনাব আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর শামসুল হক হলের আওয়ামী লীগের সাহিত্য পাঠাগার সম্পাদক মোঃ জহিরের রুমে ছিলেন এবং নিয়মিত আওয়ামী লীগের মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতেন। ওই সময়ের আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ নেতা জহিরের বাড়ি ও বগুড়া ছিল এবং মান্নান ভাই তাকে আমিনুলের অনার্স ডিগ্রী নিতে যেন কোন সমস্যা না হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে বলেছিল।
২। মূলত কৃষিবিদ মান্নান ভাইয়ের উদারতায় এবং জহিরদের সহযোগিতায় তারা বা কৃ বি থেকে ডিগ্রী অর্জন করতে সক্ষম হন ফলে আওয়ামী লীগের প্রতি তার চির কৃতজ্ঞতা রয়েছে।
৪। চাকরি পাওয়ার পর রাজশাহী পোস্টিং এর সুবাদে আমার সাথে তার খুব ভালো সখ্যতা ছিল। এবং আমি মনে করি অদ্যাবধি তার সাথে আমার সম্পর্কের কোন ঘাটতি নেই।
৫। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বিগত আওয়ামী সরকারের সময় তাদের পোস্টিং এর সময় দেখা গেল নিজ জেলাতে কোন অফিসার কে পদায়ন না দিলেও আমিনুল মান্নানের লোক, শাহাদারা মান্নানের লোক, এবং কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের লোক বলে সে বগুড়াতেই নিজ জেলাতে পোস্টিং নেন। অথচ ওই সময় বগুড়াতে যাওয়ার জন্য ছাত্রলীগ করা অনেক বড় বড় নেতা চেষ্টা করেও পারেননি।
৫। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় বগুড়াতে পোস্টিং হওয়ার সুবাদে বগুড়ার এমন কোন আওয়ামী লীগের নেতা নাই যে তার সাথে আমিনুলের সখ্যতা ছিল না। অফিসের যেকোনো প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের কোন না কোন নেতাকে দিয়ে সে অনুষ্ঠান করত। এবং ছবিগুলো ফেসবুকে আপলোডো করতো। আমরা তার কার্যক্রম দেখে খুবই অবাক হতাম।
৬। ৫ আগস্ট এর বিকেলেই তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে সমস্ত ছবি সরিয়ে ফেলেন। তবে ওই সময়ের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা বিশেষ করে করতোয়া বা বগুড়ার স্থানীয় পত্রিকা গুলোতে এসব প্রোগ্রামের ছবি পাওয়া যেতে পারে।
৭। বাড়ি বগুড়া হওয়ার সুবাদে বর্তমান সরকারের সবচেয়ে আশীর্বাদ পুষ্ট এই আমিনুল।
Leave a Reply