1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিতের দাবি জানালে সরকার বলছে হঠকারিতা: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার: মাহদী আমিন হারানো বিজ্ঞপ্তি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী কুষ্টিয়া এলজিইডিতে উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ইরানে উন্নতমানের এক লিটার পেট্রোল বিক্রি হবে প্রায় ৯ লাখ রিয়ালে
অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

জাতীয় অর্থনীতিতে কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)-এর কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সিএমএসএমই খাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। আজ রোববার রাজধানীর বিসিক ভবনে বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। মন্ত্রী বলেন, বিসিক শিল্পনগরীগুলো বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা অবদান রাখছে।

তবে, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার তুলনায় এ উৎপাদন এখনো সন্তোষজনক নয়। তিনি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ওই দেশগুলোতে সিএমএসএমই খাত অর্থনীতিতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশের বেশি অবদান রাখছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অংশীদারিত্ব ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা গেলে আয় বৈষম্য কমবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আরো বাড়বে। শিল্পমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত শিল্প প্লট দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তাদের কাছে পুনর্বণ্টনের জন্য জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, অব্যবহৃত শিল্প সম্পদ উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জেলা কর্মকর্তাদের সাফল্যই তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচক হবে। ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের প্রসারে যেসব শিল্পনগরীর জমি পুরোপুরি ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো সম্প্রসারণ এবং চাহিদাসম্পন্ন এলাকায় নতুন শিল্পনগরী স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার ঘোষণা দেন মন্ত্রী। দীর্ঘদিনের বিলম্বিত প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবুজ পাতা’ প্রকল্পের আওতায় নতুন উদ্যোগগুলো চলতি বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষিভিত্তিক শিল্প ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংকে আঞ্চলিক শিল্পায়নের অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার শিল্প সম্ভাবনার ভিত্তিতে এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব প্রস্তাব পরবর্তী সপ্তাহে জেলা ও শিল্পভিত্তিক বৈঠকে আলোচনা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com