1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
  2. wp_service_47d949@service.localhost : wp_service_47d949 :
প্রবৃদ্ধি দুর্বল, বাড়ছে খেলাপি ঋণ ও দারিদ্র্য, ঝুঁকিতে ব্যাংক খাত: বিশ্বব্যাংক - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব একনেকে উঠবে কাল নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতায় আগ্রহী চীন পিআইবি পরিচালক জাকির হোসেনের পদত্যাগ ও বিচার দাবিতে বিক্ষোভ প্রবৃদ্ধি দুর্বল, বাড়ছে খেলাপি ঋণ ও দারিদ্র্য, ঝুঁকিতে ব্যাংক খাত: বিশ্বব্যাংক বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে এমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা করতে চাই: সালাহউদ্দিন কক্সবাজারে ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু ইসরাইল গৃহযুদ্ধ ও ভেতর থেকে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে: সিআইএ জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী
প্রবৃদ্ধি দুর্বল, বাড়ছে খেলাপি ঋণ ও দারিদ্র্য, ঝুঁকিতে ব্যাংক খাত: বিশ্বব্যাংক

প্রবৃদ্ধি দুর্বল, বাড়ছে খেলাপি ঋণ ও দারিদ্র্য, ঝুঁকিতে ব্যাংক খাত: বিশ্বব্যাংক

বেসরকারি বিনিয়োগ ও রপ্তানি কমে যাওয়া, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। একইসঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার কারণে দেশে দারিদ্র্য এবং আয়বৈষম্য দুই-ই বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’-এর অক্টোবর ২০২৬ সংস্করণে দেশের অর্থনীতির এই সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ‘মেক সাবসিডিজ অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন ওয়ার্ক বেটার ফর দ্য পুওর’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ফেরানো, জ্বালানিনিরাপত্তা ও সুশাসন নিশ্চিত করা এবং কর-রাজস্ব বাড়ানোকে সংস্কারের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাধারণ ভর্তুকি ধীরে ধীরে কমিয়ে দরিদ্র ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। পরের দুই অর্থবছরে তা কমে যথাক্রমে ৪ দশমিক ২ ও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হয়। গত অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসে। করোনা মহামারির পর কোনো প্রান্তিকে এটিই সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি।

প্রবৃদ্ধি কমার বড় কারণ বিনিয়োগের সংকোচন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ শূন্য দশমিক ৫ এবং সরকারি বিনিয়োগ শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে পণ্য ও সেবার প্রকৃত রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়নও ঐতিহাসিকভাবে নিচু পর্যায়ে নেমেছে। বড় অবকাঠামো প্রকল্প পর্যালোচনা, নতুন প্রকল্প অনুমোদনে সতর্কতা এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতার দুর্বলতায় উন্নয়ন ব্যয় কমেছে। ব্যাংক খাতের দুর্বলতাকে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অন্যতম গুরুতর ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছে বৈশ্বিক এই উন্নয়ন সংস্থাটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশে।

বিশেষ করে ইসলামি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে তা ৪৩ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছায়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোর সামগ্রিক মূলধন পর্যাপ্ততার হার (সিএআর) নেমে দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬ শতাংশে, যেখানে আন্তর্জাতিক ন্যূনতম হার ১০ শতাংশ। পাশাপাশি চলতি বছরের জুনে ব্যক্তি ও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নেমেছে, যা গত ৩৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে একই সময়ে সরকারের ব্যাংক ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ। বিশ্বব্যাংক মনে করে, সরকার অতিরিক্ত ব্যাংক ঋণ নেওয়ায় বেসরকারি খাত ঋণপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং বিনিয়োগ সংকুচিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com