1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
আসিয়ানের ফাঁকে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কোন্নয়নের ইঙ্গিত - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিতের দাবি জানালে সরকার বলছে হঠকারিতা: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার: মাহদী আমিন হারানো বিজ্ঞপ্তি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী কুষ্টিয়া এলজিইডিতে উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ইরানে উন্নতমানের এক লিটার পেট্রোল বিক্রি হবে প্রায় ৯ লাখ রিয়ালে
আসিয়ানের ফাঁকে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কোন্নয়নের ইঙ্গিত

আসিয়ানের ফাঁকে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কোন্নয়নের ইঙ্গিত

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আসিয়ান বৈঠকের ফাঁকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে এক ‘ইতিবাচক’ বৈঠক করেছেন বলে জানিয়েছেন। বৈঠকটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হলো যখন ওয়াশিংটন ও বেইজিং বাণিজ্য থেকে শুরু করে তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্য দিয়ে পারস্পরিক প্রভাব বিস্তারে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। রুবিও বলেন, ‘এটি খুবই গঠনমূলক ও ইতিবাচক বৈঠক ছিল, যদিও এটি কোনো আনুষ্ঠানিক দর-কষাকষি ছিল না।

আমরা কিছু ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পেরেছি যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্ভব। রুবিও আশা প্রকাশ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে শিগগিরই বৈঠক হতে পারে। তিনি বলেন, ‘উভয় পক্ষই বৈঠকের জন্য আগ্রহী, তবে এখনও নির্দিষ্ট কোনো তারিখ নির্ধারিত হয়নি। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর রুবিও-ওয়াং এটাই ছিল প্রথম সরাসরি বৈঠক। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক হার আসিয়ান বৈঠকে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

রুবিও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, ‘বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ বিশাল। এটি অবশ্যই সমাধান করতে হবে। ট্রাম্প সরকার ১ আগস্টের মধ্যে চুক্তিতে না এলে ২০টি দেশের পণ্যের ওপর ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছে। এর মধ্যে অনেক দেশই এশিয়ার। আসিয়ান এক যৌথ বিবৃতিতে এই শুল্কনীতিকে ‘অপ্রয়োজনীয় ও আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধির জন্য হুমকি’ বলে উল্লেখ করেছে। জাপানকে ২৫ শতাংশ করের সম্মুখীন হতে হচ্ছে, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়াও একই ধরনের শুল্কের আওতায় পড়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই সপ্তাহে শুল্কনীতিকে আখ্যায়িত করেন ‘ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধারালো অস্ত্র’ হিসেবে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপকে ‘বিনামূল্যে বাণিজ্য ব্যবস্থার অবমূল্যায়ন’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক কৌশল কেবল ক্যাম্বোডিয়া বা আসিয়ান নয়, বরং সকল উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের উন্নয়নের অধিকারকে অস্বীকার করার প্রচেষ্টা।

উল্লেখ্য, একসময় যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর ১৪৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে এবং চীন পাল্টা ব্যবস্থা নেয় ১২৫ শতাংশ হারে। চলতি বছরের মে মাসে দুই দেশ এই অস্বাভাবিক উচ্চ শুল্ক সাময়িকভাবে কমানোর ঘোষণা দেয়, যাকে ট্রাম্প ‘টোটাল রিসেট’ বলে অভিহিত করেন। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মে মাসে অভিযোগ করেন, চীন ‘তাইওয়ানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। এর জবাবে বেইজিং অভিযোগ তোলে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান ইস্যুকে চীনকে নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে এবং ‘আগুন নিয়ে খেলছে’।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com