1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
২০২১ সালের পর ২৮টি ‘কার্বন বোমা’ প্রকল্প চালু হয়েছে: এনজিওগুলোর সতর্কতা - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
দেশের জনগণের অর্থ, বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সম্ভাবনা: তেলের দাম ৮০ ডলারের নিচে সিলেটে ফুলের পাপড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের মাধ্যমে জি-৭ সম্মেলনের সমাপ্তি টানছেন মাখোঁ ইরাককে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল নরওয়ে শিশু শ্রমিক নিয়োগের দায়ে ফেনীর কোয়ালিটি জুট মিলকে সতর্কতা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আটক সম্পদ মুক্তি ছাড়া কোনো চুক্তি নয়: ইরান বাজেটে নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব খাল খনন ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’র সেই দিন ফিরিয়ে আনবে: পানিসম্পদ মন্ত্রীর
২০২১ সালের পর ২৮টি ‘কার্বন বোমা’ প্রকল্প চালু হয়েছে: এনজিওগুলোর সতর্কতা

২০২১ সালের পর ২৮টি ‘কার্বন বোমা’ প্রকল্প চালু হয়েছে: এনজিওগুলোর সতর্কতা

একদল আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) সোমবার সতর্ক করে বলেছে ২০২১ সালের পর থেকে জলবায়ুর জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টিকারী অন্তত ২৮টি ‘কার্বন বোমা’ প্রকল্প চালু হয়েছে। প্যারিস খেকে এএফপি এ খবর জানায়। ‘কার্বন বোমা’ বলতে এমন তেল, গ্যাস বা কয়লা উত্তোলন প্রকল্পকে বোঝায়, যা তাদের আয়ুষ্কালের পুরো সময় জুড়ে এক বিলিয়ন টনের বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন ঘটাতে পারে। ২০২২ সালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে গবেষকেরা এমন ৪২৫টি প্রকল্পের তালিকা করেছিলেন।

২০২১ সালে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) ঘোষণা দিয়েছিল- নতুন কোনো তেল বা গ্যাস প্রকল্প শুরু করা ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর দুই বছর পর, কপু২৮ সম্মেলনে বিশ্বের দেশগুলো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধের বিষয়ে সম্মত হয়। সর্বশেষ এ হিসাব দিয়েছে চারটি সংস্থা- লিংগো, ডাটা ফর গুড, রিক্লেইম ফাইন্যান্স, এবং এক্লেরসি।

তারা জানিয়েছে, এখনো প্রায় ৩৬৫টি প্রকল্প এক বিলিয়ন টনের বেশি নির্গমন ঘটাচ্ছে। এই সংখ্যা আগের তুলনায় কম হলেও তা হয়েছে উৎপাদন হ্রাস বা নতুনভাবে মূল্যায়নের কারণে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রকল্পের ৪৩ শতাংশ চীনে, ৯ শতাংশ রাশিয়ায়, এবং ৫ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।যদিও পশ্চিমা তেল কোম্পানিগুলোর প্রকল্পের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, কিন্তু সৌদি আরামকো এবং চীনের সিএইচএন এনার্জি সর্বাধিক নির্গমন ঘটাচ্ছে।

এছাড়া প্রতিবেদনে আরও ২,৩০০টির বেশি ছোট উত্তোলন প্রকল্প শনাক্ত করা হয়েছে, যা ২০২১ সালের পর অনুমোদিত বা চালু হয়েছে। প্রত্যেকটির সম্ভাব্য নির্গমন পাঁচ মিলিয়ন টনের বেশি- যা প্যারিস শহরের বার্ষিক নির্গমনের সমান। গবেষকদের হিসাবে, সব প্রকল্প মিলিয়ে সম্ভাব্য কার্বন নির্গমন বিশ্বের অবশিষ্ট ‘কার্বন বাজেট’-এর ১১ গুণ বেশি, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে প্রয়োজন।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান দশকের মধ্যেই অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিশ্বের ৬৫টি বৃহত্তম ব্যাংক এসব প্রকল্পে জড়িত কোম্পানিগুলোকে ১.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার (১ লাখ ৬০ হাজার কোটি ডলার) অর্থায়ন করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com