সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
খুলনা বিভাগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বাজারদর নিয়ন্ত্রণে একযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ (২৫ অক্টোবর) অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের ৮টি টিমের চালানো অভিযানে ১৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অনিয়মের দায়ে মোট ১ লাখ ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম-এর নেতৃত্বে খুলনা সদর থানার নিউমার্কেট এলাকায় জমজম মিষ্টি ঘরকে পণ্যের মোড়ক যথাযথ ব্যবহার না করায় ২ হাজার টাকা এবং সহকারী পরিচালক দিনারা জামান-এর নেতৃত্বে জোড়াগেট এলাকায় আল-আমীন অটোমোবাইলকে যথাযথ পণ্য সরবরাহ না করায় ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিব-এর নেতৃত্বে দৌলতপুর বাজারে হেলাল স্টোরকে ২০ হাজার ও দুলাল স্টোরকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সজল আহম্মেদ-এর নেতৃত্বে হাজরাপুর বাজারে মেসার্স শ্যাম টি -কে ২০ হাজার এবং মেসার্স বুরহান কলার আড়ৎকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান তানভীর-এর নেতৃত্বে কলারোয়ার সোনাবাড়িয়া বাজারে আল-বারাকা ফার্মেসিকে ৩ হাজার, ওসমান স্টোরকে ৩ হাজার এবং মেসার্স জাহান স্টোরকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে এনায়েতপুর বাজারে বেস্ট ব্রেড এন্ড বেকারিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান-এর নেতৃত্বে দামুড়হুদায় মেসার্স সৌখিন ট্রেডার্স এন্ড সীডকে ২ হাজার এবং মেসার্স বিল্লাল সীডকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং নড়াইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শামীম হাসান-এর নেতৃত্বে লোহাগড়া বাজারে মেসার্স খান ইলেকট্রনিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সূত্র জানায়, অভিযানকালে চাল, ভোজ্যতেল, গ্যাস, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আলু, পেঁয়াজ, সবজি, মুরগি ও ডিমের বাজারদর এবং ক্রয় ভাউচার যাচাই করা হয়।
বাজার তদারকি শেষে খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম জানান, বাজারের অস্থিতিশীলতা রোধ এবং সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি কিংবা কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে পারেন। ব্যবসায়ীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে বাধ্যতামূলকভাবে দ্রব্যমূল্য তালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে হবে।
Leave a Reply