1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে কর্মশালা - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
দেশের জনগণের অর্থ, বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সম্ভাবনা: তেলের দাম ৮০ ডলারের নিচে সিলেটে ফুলের পাপড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের মাধ্যমে জি-৭ সম্মেলনের সমাপ্তি টানছেন মাখোঁ ইরাককে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল নরওয়ে শিশু শ্রমিক নিয়োগের দায়ে ফেনীর কোয়ালিটি জুট মিলকে সতর্কতা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আটক সম্পদ মুক্তি ছাড়া কোনো চুক্তি নয়: ইরান বাজেটে নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব খাল খনন ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’র সেই দিন ফিরিয়ে আনবে: পানিসম্পদ মন্ত্রীর
‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে কর্মশালা

‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে কর্মশালা

সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পের ‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব। কর্মশালায় প্যানেল আলোচক ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির প্রফেসর মো. মাহমুদুর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব হেলথ ইকোনমিক্স বিভাগের প্রফেসর ড. শাফিউন নাহিন শিমুল র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট উপস্থাপন করেন।কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর আনোয়ার হোসেন বলেন, জুলাই আন্দোলনের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

এই প্রকল্পে শিক্ষার্থীরা কি ধরনের মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং শিক্ষা ও সামাজিক জীবনে কি প্রভাব ফেলছে তা গবেষণার মাধ্যমে নিরূপণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদানের কাজ চলমান আছে।প্রফেসর মাছুমা হাবিব দেশের প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কেন্দ্র গঠন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এটি শিক্ষার্থীদের আচরণ পরিবর্তন এবং পারিপার্শ্বিক চাপ কমাতে সহায়তা করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়া, শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রকৃত অবস্থা জানতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আরও বেশি গবেষণা হওয়া দরকার বলে তিনি জানান।ইউজিসি’র ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন পারভীন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল এন্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মেহেজাবিন হক, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সৈয়দ তানভীর রহমানসহ ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, ইউজিসি ও ইউনেস্কো’র কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশ নেন।

উল্লেখ্য, ইউজিসি ও ইউনেস্কো’র যৌথ উদ্যোগে জুলাই-আগস্টের চেতনা সামনে রেখে ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক চাহিদাসমূহ নিরূপণে র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্টের তথ্য সংগ্রহ ও রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com