1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
  2. wp_service_47d949@service.localhost : wp_service_47d949 :
‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে কর্মশালা - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যক্রম শুরু করা হবে: জাকারিয়া তাহের মুরাদনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ২ জনকে হত্যার অভিযোগ আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ইউপি নির্বাচন শুরু: ইসি সানাউল্লাহ ​জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক সাতক্ষীরায় মহিলা কল্যাণ পরিষদের অনুদানের চেক বিতরণ পূর্ব জুরাইনে খালি জায়গার নতুন মিটারে ওয়াসার ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ দেশে নাগরিকদের সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী নারীদের নিয়ে কোনো অবমাননাকর মন্তব্য মেনে নেওয়া হবে না: থালাপতি বিজয় ঝালকাঠিতে মাদক ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা
‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে কর্মশালা

‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে কর্মশালা

সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পের ‘র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব। কর্মশালায় প্যানেল আলোচক ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির প্রফেসর মো. মাহমুদুর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব হেলথ ইকোনমিক্স বিভাগের প্রফেসর ড. শাফিউন নাহিন শিমুল র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট উপস্থাপন করেন।কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর আনোয়ার হোসেন বলেন, জুলাই আন্দোলনের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

এই প্রকল্পে শিক্ষার্থীরা কি ধরনের মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং শিক্ষা ও সামাজিক জীবনে কি প্রভাব ফেলছে তা গবেষণার মাধ্যমে নিরূপণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদানের কাজ চলমান আছে।প্রফেসর মাছুমা হাবিব দেশের প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কেন্দ্র গঠন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এটি শিক্ষার্থীদের আচরণ পরিবর্তন এবং পারিপার্শ্বিক চাপ কমাতে সহায়তা করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়া, শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রকৃত অবস্থা জানতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আরও বেশি গবেষণা হওয়া দরকার বলে তিনি জানান।ইউজিসি’র ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন পারভীন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল এন্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মেহেজাবিন হক, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সৈয়দ তানভীর রহমানসহ ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, ইউজিসি ও ইউনেস্কো’র কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশ নেন।

উল্লেখ্য, ইউজিসি ও ইউনেস্কো’র যৌথ উদ্যোগে জুলাই-আগস্টের চেতনা সামনে রেখে ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক চাহিদাসমূহ নিরূপণে র‌্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্টের তথ্য সংগ্রহ ও রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com